ঝাড়গ্রাম ডিয়ার পার্কে খুলে দেওয়া হলো জুলজিক্যাল পার্ক - The News Lion

ঝাড়গ্রাম ডিয়ার পার্কে খুলে দেওয়া হলো জুলজিক্যাল পার্ক




দি নিউজ লায়ন ; করোনা পরিস্থিতির জন্য প্রায় ছয় মাসের বেশি বন্ধ ছিল ঝাড়গ্রাম এর ডিয়ার পার্কে থাকা মিনি চিড়িয়াখানা অর্থাৎ জুলজিক্যাল পার্ক। অবশেষে সমস্ত বাধা বিঘ্ন কাটিয়ে প্রশাসনের সমস্ত বিধি মেনে দোসরা অক্টোবর শুক্রবার থেকে সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হলো ঝাড়গ্রামের ডিয়ার পার্কে থাকা জুলজিক্যাল পার্ক। তবে ওই পার্কে মাস্ক ছাড়া কোন ব্যক্তিকে পার্কের ভিতর প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। পার্কের গেটের সামনে লেখা রয়েছে মাস্ক ছাড়া প্রবেশ নিষিদ্ধ। সেই সঙ্গে পার্কের ভিতরে প্রবেশকারী সকলকেই হাতে সেনিটাইজার দিয়ে প্রবেশ করতে হচ্ছে। 


শুক্রবার প্রথম দিনেই প্রায় ৭০ জন পর্যটক ঝাড়গ্রাম বেড়াতে এসে ওই পার্কে ঘুরতে গিয়েছিলেন। তারা পার্কে গিয়ে দুই চিতা শাবক কে দেখে খুব খুশি। সেইসঙ্গে খুশি পাঁচটি ময়ূর  বাচ্চাকে তাদের মায়ের সাথে খেলা করতে দেখে। লকডাউন পরিস্থিতিতে ওই পার্কে থাকা পশুপাখিরা তাদের সন্তান প্রসব করেছেন। তাই পার্কের কর্মীরা যেমন খুশিতে টগবগ তেমনি পার্কে আসা পর্যটকরাও খুব খুশি। ঝাড়গ্রাম মিনি চিড়িয়াখানা কে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০১৭ সালে জুলজিক্যাল পার্ক হিসেবে ঘোষণা করেন। সেই থেকে ওই পার্কের উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে বন দপ্তর। বন দপ্তরের অধীনে থাকা  


ওই পার্ক টি খুবই জনপ্রিয় সকলের কাছে। তাই পর্যটকদের পাশাপাশি ছুটির দিনে কচিকাঁচাদের নিয়ে তাদের পরিবারের লোকেরা ভিড় জমায় ওই পার্কে। স্বভাবতই লকডাউন পরিস্থিতির পর শুক্রবার থেকে পার্ক টি খুলে দেওয়ায় খুশি সর্বস্তরের মানুষ ও ঝাড় গ্রামে বেড়াতে আসা পর্যটকরা। শুক্রবার ঝাড়গ্রামে বেড়াতে আসা কলকাতার বাসিন্দা ইন্দ্রনীল মজুমদার বলেন ঝাড়গ্রাম এর আবহাওয়া পর্যটকদের পক্ষে অনুকূল। তাই বারেবারে ঝাড়গ্রাম বেড়াতে আসি। ছুটির দিন থাকায় সপরিবারে কলকাতা থেকে ঝাড়গ্রামবেড়াতে এসেছি। ঝাড়গ্রামেএসে প্রথমে ডিয়ার পার্কে এসেছি। 


ডিয়ার পার্কে এসে মন ভরে গিয়েছে। তাই আগামী দিনে তিনি তার পরিবারকে নিয়ে ঝাড়গ্রামে বেড়াতে আসবেন বলে জানান। এভাবেই কচিকাঁচাদের নিয়ে ঝাড়গ্রাম জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে বেশ কয়েকজন সামিল হয়েছিলেন পার্কে পশুপাখিদের দেখার জন্য। রীতিমতো তারাও খুশি।পার্কে থাকা বিভিন্ন পশু পাখিদেরদেখে সকলেই খুশি ।পার্ক কর্তৃপক্ষ থেকে পার্কের কর্মীরা  


পার্কটি চালু হওয়ার  ফলে খুব খুশি।তবে সমস্ত বিধিনিষেধ মেনে শুক্রবার থেকে পার্কে প্রবেশ করছেন পর্যটকদের পাশাপাশি সাধারণ বাসিন্দারা। অনলাইনের মাধ্যমে টিকিট কাটার ব্যবস্থা রয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানান।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.